ব্লগে ভালো কনটেন্ট কীভাবে লিখবেন?


ভালো কনটেন্ট কীভাবে লিখবো

যদি নতুন হন!

মনে রাখতে হবে লেখা যেন যুক্তিযুক্ত হয়। লেখার আগে তাই জানা চাই কি লিখছেন, কেন লিখছেন। নিজের কোনো শখ, দৈনন্দিন জীবন, ব্যক্তিগত কোনো অভিজ্ঞতা বিষয়ে লিখলে সেটা ভালো করে সাজিয়ে ডায়েরিতে লিখে নিবেন।

আরও পড়ুন- কীভাবে google adsense approval পাবেন খুব সহজে

প্রথমে নির্ধারণ করুন কি লিখবেন, কিভাবে লিখবেন

লেখার বিষয়টা নির্ভর করে লেখকের দক্ষতা, রুচি, সহযোগিতা সর্বোপরি যে সাইট বা বিষয়ের জন্য লেখা হচ্ছে সেটার চাহিদার ওপর। তবে বিষয়বস্তু যা-ই হোক না কেন একজন ওয়েব কনটেন্ট রাইটারকে কোনো নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে রীতিমতো গবেষণা করে ডেটাবেজ তৈরি করতে হয়। উন্নত বিশ্বে একজন কনটেন্ট রাইটারকে একজন সাংবাদিক আবার গবেষকও অভিহিত করা হয়। ওয়েবসাইটের ধরণ অনুযায়ী ঠিক করে নিতে হয় লাইন অফ অ্যাকশন ।

লেখা অবশ্যই প্রাঞ্জল ও গুরুত্বপূর্ণ হতে হবে।

 রাইটার হিসেবে আপনাকে মনে রাখতে হবে, যারা ওয়েবসাইটে আপনার লেখা পড়বেন, তিনি মিনিট প্রতি বা ঘণ্টা প্রতি নির্দিষ্ট পয়সা খরচ করে পড়বেন।সুতরাং তিনি চাইবেন সবচেয়ে কম সময়ে প্রয়োজনীয় জিনিস পড়তে ।তাই তথ্য নির্ভর, সংক্ষিপ্ত বিষয়ভিত্তিক লেখাই আপনাকে লিখতে হবে।এতে লেখক হিসেবে আপনার গ্রহণযোগ্যতা যেমন বাড়বে তেমনি উপার্জনের পথও প্রসস্থ হবে।

 একটা পূর্নাঙ্গ কনটেন্ট লিখতে যেই বিষয়গুলো অবশ্যই করতে হবে

ভালো কনটেন্ট কীভাবে লিখবো

১/ ইন্টারনেট ব্যবহারের খুটিনাটি সম্পর্কে  জানতে হবে।

 তারপর গবেষণার জন্য থাকতে হবে তীক্ষ্ণ একাগ্রতা। থাকতে হবে নিজস্ব সৃজনশীলতায় তথ্যকে সম্পূর্ন করে লেখার ক্ষমতা এবং সংগৃহীত তথ্যকে সংঘবদ্ধভাবে সাজিয়ে পাঠককে নতুন নতুন স্বাদ পাইয়ে দেয়ার চেষ্টা। রাইটার হিসেবে একেবারে নতুন হলেও সমস্যা নেই। তবে সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো হয়। লেখার ইচ্ছা, ভালো রচনা‣শলী ও সময়োপযোগী বিষয়ব নির্বাচনের সামর্থ্য থাকলে এ পেশায় আপনি সফল হবেন।

আরও পড়ুন- কীভাবে seo optimization করবেন।

২/আর্টিকেল রাইটার হতে হলে প্রথমেই আপনাকে প্রচুর পরিমাণে রিসার্চ করার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।

 রিসার্চ করতে না পারলে কখনোই আপনি একটা ভালো ইনফর্মেটিভ আর্টিকেল লিখতে পারবন না। 

রিসার্চ করা বলতে বোঝাচ্ছি, আপনি যেই টপিকটা নিয়ে লিখতে চাইছেন, সেটা সম্পর্কে আগে রিসার্চ করে ভালো করে জানুন। তারপর ওই টপিকটার উপর একটা পূর্ণাংগ ইনফর্মেশনে ভরা আর্টিকেল লিখে ফেলুন। এতেই ভিজিটররা আপনার আর্টিকেল থেকে ভ্যালু পাবে।

৩/ অনেক বেশি বেশি পড়ুন। 

যত বেশি পড়বেন, তত বেশি আপনার ভালো লেখতে পারার দক্ষতা বাড়বে। শুধু বই পড়ার কথা বলছি না, ইন্টারনেটে প্রত্যেকটা টপিকের উপর হাজার হাজার আর্টিকেল, ব্লগ পোস্ট আছে। আপনি যেই বিষয়ে ইন্টারেস্টেড, সে বিষয়ের আর্টিকেল, ব্লগ পোস্ট পড়া শুরু করুন। এতে খালি আপনার ভোকাবুলারি বাড়বে না, আপনি কিভাবে ইন্টারেস্টিং ওয়েতে লিখতে হয় তাও শিখতে পারবেন।

৪/ কত ওয়ার্ড এর কন্টেন্ট লিখবো?

এই প্রশ্নটা কমন, কত ওয়ার্ড এর কন্টেন্ট লিখতে হয় ? এইখানে বলা বাহুল্য যে, আপনি আসলে কি নিয়ে কাজ করতে চান ? ব্লগ না নিশ সাইট? আমাজন সাইট না টার্গেট গুগল এডসেন্স ? না আপনি এক সাইট এ দুটাই করতে চান ? অনেক গুলো প্রশ্ন এক সাথে হয়ে গেলো আমি একটা একটা করে বিস্তারিত বলবো।

আরও পড়ুন- ব্লগিং এর জন্য কোন নিশ বা টপিক বেছে নিবেন?

৫/ কন্টেন্ট এর দৈর্ঘ কেমন হবে ?

বিশেষজ্ঞদের মতে কন্টেন্ট অবশ্যই ১০০০ থেকে ১২০০ শব্দের হতে হবে কিন্তু আপনি অবশ্যই আপনার কম্পেটিটরদের কন্টেন্ট দৈর্ঘ দেখে নিবেন। উদাহরণ হিসেবে আপনার কম্পিটেটর কন্টেন্ট দৈর্ঘ যদি হয় ১০০০ শব্দের তবে আপনার কনটেন্ট অবশই ১১০০ থেকে ১২০০ শব্দের হতে হবে কারণ এইখানে রাঙ্কিং ফ্যাক্টর জড়িত এবং কন্টেন্টকে এসিও’র রাজা বলা হয়। সাধারণত কন্টেন্ট  ব্লগ বা নিশ এ একই ফর্মুলা ব্যবহার করা হয়।

একটি পূর্নাঙ্গ কনটেন্টের ভিতর অবশ্যই যে বিষয়গুলো থাকবে

ভালো কনটেন্ট কীভাবে লিখবো

হেডলাইন এর ব্যবহার:

ব্লগে লেখার জন্য হেডলাইন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস।  লেখার শুরুতে অবশ্যই লেখার হেডিং টি আপনাকে খুবই বিবেচনা করে নির্ধারণ করতে হবে।  কেননা আশি শতাংশ পাঠক যারা হেডলাইন দেখে একটি লেখাকে পড়ার মনস্থ করে। যদি আপনার হেডলাইনটা একটি ভিজিটরের পছন্দ মতো না হয় তাহলে সে আপনার লেখাটিকে কখনোই পড়বেনা সে জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হল আপনার লেখা হেডলাইন টি খুব ভালোভাবে দেওয়া।  আপনার লেখার হেডলাইন যত সুন্দর হবে ভিজিটরদের আপনার লেখাটি পড়ার চান্স ততটাই বেড়ে যাবে। যদি আপনার হেডলাইন টি সুন্দর না হয় আপনার লেখাটির যতই ভালো হোক না কেন আপনার লেখাটি কোন ভিজিটর পড়তে চাইবে না। কেননা একটি লেখা হেডলাইন এর দ্বারাই বিচার করা হয়। আপনার লেখার দৈর্ঘ অনুযায়ী কয়েকটি H2 হেডলাইন ব্যবহার করতে হবে।

ছবি এবং ভিডিও ব্যবহার

আপনার ব্লগ পোস্ট লেখার সময় ব্লগের মধ্যে লেখার বিষয় অনুযায়ী সুন্দর ছবি ব্যবহার করতে হবে।  যেন ভিজিটররা আপনার লেখার মাঝে ছবি দেখেই বুঝতে পারে এ লেখাটির বিষয় সম্পর্কে। পারলে ইনফোগ্রাফিক কোন ছবি ব্যবহার করবেন।  যাতে ভিজিটররা ছবি থেকেও তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। এমনকি আপনার লেখার রিলেটেড কোন ভিডিও অংশ লেখার মাঝে উপস্থাপন করতে পারেন অনেক ইউজার রয়েছে যারা দীর্ঘ সময় লেখাটাকে পড়তে পছন্দ করেন না ভিডিওর মাধ্যমে সেই তথ্যটি জানার চেষ্টা করে সেক্ষেত্রে ভিডিওটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

আরও পড়ুন- কীভাবে একটি ওয়েবসাইট খুলে ইনকাম করা যায়।

ট্যাগ এর ব্যবহার

আপনার লেখাটির বিষয়ে কয়েকটি ট্যাগ ব্যবহার করা যেতে পারে। একটি ব্লগপোস্টে ট্র্যাক যেমনটা একটি সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ তেমনি ইউজার ফ্রেন্ডলি ও হতে পারে।  যখন একটা ইউজার আপনার ব্লগ পোস্টটিকে পড়তে থাকবে তখন যখন টেক গুলোকে দেখবে তখন আপনার পোস্ট সম্পর্কে তার সুস্পষ্ট ধারণা চলে আসবে সে জন্য একটি ব্লগ পোস্টে ট্যাগ এর ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 ক্যাটাগরি নির্ধারণ

আপনি একটি ব্লগ পোস্ট লেখার পর ব্লগ পোস্টটি পাবলিশ করার আগে অবশ্যই একটি ক্যাটাগরিতে সিলেক্ট করতে হবে।  যাতে করে কোন ভিজিটর কোন ক্যাটাগরির কোন পোস্ট খুঁজতে আসলে সে ক্যাটাগরিতে ক্লিক করলে যেন আপনার সেই লেখাটি ক্যাটাগরি  হিসাবে চলে আসে। তাই লেখাটির শেষে প্রকাশ করার পূর্বে অবশ্যই এমন একটি ক্যাটাগরি নির্ধারণ করতে হবে আপনার লেখা টি আসলে যে ক্যাটাগরি বাজে বিষয়ের উপর লেখা হয়েছে।  সঠিক ক্যাটাগরি নির্বাচনের ওপর নির্ভর করে আপনার লেখাটি ভিজিটর দের কাছে পৌঁছার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

আর্টিকেল যতটা সম্ভব সিম্পল রাখুন।

 কঠিন কঠিন কোনো শব্দ ব্যবহার করবেন না, আমরা দৈনন্দিন জীবনে যেসব শব্দ ব্যবহার করি সেগুলা দিয়েই আর্টিকেল লিখবেন। কোনো বাক্য খুব বেশি বড় করার দরকার নেই। ছোট ছোট সিম্পল বাক্য বেশি বেশি ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। কমপ্লেক্স সেন্টেন্স্‌ যত কম পারা যায় ব্যবহার করবেন।

 

Visit Our English Website – http://www.asifsdairy.xyz

Related Articles  Google apps & Google services

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *