বেকারত্বের সুযোগ নিচ্ছে প্রতারক চক্র।


বেকারত্বের সুযোগ নিচ্ছে প্রতারক চক্র। আজই সাবধান হোন। এড়িয়ে চলুন ভুয়া চাকরির বিঞ্জপ্তি।

বাংলাদেশে সবসময় বেকারের হার বেশি। প্রতিবছর যে পরিমান গ্রাজুয়েট বের হয় সেই তুলনায় চাকরির সংখ্যা কম।

নয়া দিগন্তের তথ্যমতে প্রতি বছর প্রায় ২০ লক্ষ তরুন তরুণী চাকরির বাজারে প্রবেশ করে যাদের বেশিরভাগ স্নাতক বা স্নাতকত্তোর।

চলতি বছরের মার্চ থেকে বাংলাদেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। ধীর ধীরে সেই প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকে যা একসময় ভয়াবহ মহামারিতে রূপ নেয়।

আরও পড়ুন- কবে মানবতা আসবে ? পরিবর্তন হবে মানসিকতা

বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সকল সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সাধারন ছুটি ঘোষণা করা হয়। যার ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো প্রচুর পরিমানে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।

আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে প্রতিষ্ঠানগুলো শুরু করে কর্মী ছাটাঁই৷ অনেক প্রতিষ্ঠান লোকসানের মুখে তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। এছাড়া অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মীদের বেতন অর্ধেক করে দিয়েছে৷

গত ফেব্রুয়ারী থেকে বাংলাদেশে বেকারত্বের হার বাড়ছে। করোনা সংকটে সমগ্র বিশ্বে প্রতি ছয় জনে একজন বেকার হয়েছে যার পরিমান বাংলাদেশে প্রতি ৪ জনে একজন।

আর এই সুযোগটা কাজে লাগাচ্ছে একটা চক্র৷ চক্রটি সবসময় সক্রিয় থাকলেও করোনা কারনে যে বেকারত্বের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে সেই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিচ্ছে।

পত্রিকা, অনলাইন বা বিভিন্ন লিফলেটের মাধ্যমে লোভনীয় সব চাকরির অফার দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার টাকা৷

আরও পড়ুন – করোনার ভয়াবহতা আরোও বাড়লে অবাক হওয়ার কিছু নেই

যেহেতু মানুষ সোস্যাল মিডিয়াতে বেশি সক্রিয় থাকে তাই প্রতারকরা এই মাধ্যমটাকে বেমি ব্যবহার করছে। প্রথমে আবেদন ফি বাবদ নিচ্ছে ৫০০-১০০০ টাকা তারপর প্রশিক্ষণের কথা বলে হাতিয়ে নিচ্ছে বড় অংকের টাকা৷

অনেকে বেকারত্ব দূর করার জন্য তাদের ফাঁদে পা দিয়ে নিজের মোবাইল ফোন বিক্রি করেও টাকা দিচ্ছে৷ তারপর প্রতারক চক্র ধরিয়ে দিচ্ছে ভুয়া সনদ।

Related Articles  বৈরুত বিস্ফোরণে নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে ৩, আহত ৯৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *