ভয়াবহতা বাড়ছে সর্তকতা দরকার সকলের


বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস এর ভয়াবহতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। সাধারন মানুষের মনেও ভয় সঞ্চার হচ্ছে প্রতিনিয়ত । যত মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে তত বাড়ছে আতঙ্ক ও ভয়। কবে আমরা করোনা নামক এই অদৃশ্য শত্রু থেকে মুক্তি পাব তা আমরা কেউ জানিনা৷ 

আরও পড়ুন- লাখ ছুঁয়ে যাবে বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুও!

সরকার এখন কি সিদ্ধান্ত নেবে সে ব্যাপারেও সন্দিহান। শুধু সিদ্ধান্ত নিলে হবে না সেটার যথাযথ বাস্তবায়নও প্রয়োজন। না হলে যেমন ঝুঁকিতে পড়বে আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঠিক তেমনি ভেঙে পড়বে আমাদের অর্থনীতি। 

সরকারের যে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন বা বাস্তবায়নের আগে ভাবতে হবে আমাদের দেশের সকল শ্রেনী পেশার মানুষের কথা। শুধু করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত করলেই সরকারের সকল দায় শেষ নয়। ক্ষুধার জ্বালা থেকেও বাঁচাতে হবে সকলকে। 

এদেশে এমন মানুষ আছে যার কাছে ৩০ টাকা দিয়ে একটা মাস্ক না কিনে এক কেজি চাউল কেন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়। 

এইতো সেদিন আমি একটা রিকশায় উঠে দেখি রিকশা চালকের মুখে একটি নোংরা পাতলা মাস্ক। আমি বললাম মামা তোমার এই মাস্কে তো করোনা আটকাবেনা সে বললো পুলিশের মার তো আটকাবে তার মানে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে সে করোনার জন্য মাস্ক টা পরে নাই। 

আরও পড়ুন- বাংলাদেশের সেরা কিছু ফেসবুক গ্রুপ

কথা বলতে বলতে জানতে পারলাম মাস্ক না পড়লে নাকি তার রিকশায় মানুষও যাতায়াত করবে না। তো এরকম অসংখ্য রিকশাওয়ালার গল্প ঘুরছে ঢাকা শহরে। 

যেখানে সারাদেশের মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর একটা সিংহভাগ ঢাকা শহরে। 
এখন আসি আসল কথায় করোনা ভাইরাসের কারনে আমরা দীর্ঘ সময় গৃহবন্দী ছিলাম কিন্তু আমি যতদূর শুনেছি ঢাকা শহরে রিকশা বা অটোরিকশা অল্পসংখ্যাক হলেও ঠিকই চলছে। তারা কিন্তু আমাদের মত যথেষ্ট সর্তকতা অবলম্বন করে নাই এই বিষয়টা বোঝার জন্য খুব বেশি ঞ্জানী হওয়ার দরকার নেই। 

Related Articles  ৬৫ বছরের বৃদ্ধ ও ১৩ বছরের কন্যাকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ ।

এখন যদি আমরা আবার লকডাউনের দিকে যাই আমরা হয়তো যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করে ঘরে থাকবো কিন্তু বাইরে থাকবে অসংখ্য শ্রমজীবি দিনমজুর,রিকশাওয়ালা। যাদের মধ্যে করোনা সম্পর্কে যথেষ্ট ঞ্জান বা ধারনা নেই।

 তাই প্রতিটি সাধারন মানুষকে বলবো আপনারা যদি কখনো কোন রিকশাচালক বা কোন শ্রমজীবি মানুষকে একটু বোঝান বা সাধ্যমত সাহায্য করেন তাহলে হয়তো আরও কিছু মানুষ বেঁচে যাবে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হওয়া থেকে। 

তথ্যসূত্র – https://web.facebook.com/kamruzzaman.rana.90

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *