এসব কি বলছে নেতাকর্মীরা? বুদ্ধি লোপ নাকি নেতৃর মন রক্ষা?


এসব কি বলছে নেতাকর্মীরা? বুদ্ধি লোপ নাকি নেতৃর মন রক্ষা?

বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বঙ্গবন্ধুর প্রতি আবেগটাকে কাজে লাগিয়ে বর্তমানে অনেকেই তাদের নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে সচেষ্ট রয়েছে। 
বাংলাদেশ সৃষ্টির পিছনে বঙ্গবন্ধুর অনবদ্য অবদান অনস্বীকার্য।  আমার মনে হয় যে কোন দল বা ধর্মের লোক এই বিষয়ে কোন দ্বিধা ছাড়া সহমত পোষন করবে। কিন্তু কিছু লোক বঙ্গবন্ধুর প্রতি ফেইক বা কৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশের জন্য তার ছবি টিস্যু পেপারে পর্যন্ত ব্যবহার করেছে। যা একজন বাঙালি হিসেবে মেনে নেওয়া কষ্টের।  

আরও পড়ুন

বিকাশে ২ হাজার টাকা বোনাস পাওয়ার সুযোগ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি ঐতিহাসিক দল। মুক্তিযুদ্ধ তথাপরি দেশের সার্বিক উন্নয়নে আওয়ামী লীগের ভূমিকা অপরিসীম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য ও সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য দিনরাত চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে আওয়ামী লীগের কিছু মাঠ পর্যায়ের নেতা থেকে শুরু করে উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের কর্মকাণ্ড বা কথাবার্তা আওয়ামী লীগকে তো কলুষিত করছে প্রশ্নবিদ্ধ করছে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয়  নেতৃত্বকে।
সম্প্রতি সংসদ সদস্যদের ফোনে সরকারি কর্মকর্তাদের হুমকি, মেয়র সাহেবের অসংলগ্ন বক্তব্য, এস পি সাহেবের বক্তব্য সাধারণ মানুষকে হতবাক করেছে।  
গুরুত্বপূর্ণ একটা পদে থাকার পর সরকারি কর্মকর্তা বা উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের এরকম অসংলগ্ন বক্তব্য আওয়ামী লীগের আগামীর নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় দাড় করিয়ে দেয় । 
আমরা হয়তো অনেকে ভুলে গেছি বাংলাদেশ একটি মুসলিম রাষ্ট্র। আর সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। আর একটা মুসলিম রাষ্ট্রে আলেমদের একটা আলাদা কদর আপনাকে করতে হবে। এইটা সত্যি যে কতিপয় আলেমের চিন্তাধারা রাষ্ট্রের সংস্কৃতি বা ইতিহাসের বিরুদ্ধে। তার জন্য আইননুসারে তার শাস্তি হবে কিন্ত তার হাত পা ভাঙার হুমকি তো এই প্রজাতন্ত্রের দেশে একজন এস পি দিতে পারে না । 
গনতন্ত্রের দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার আছে। আপনি তো সরাসরি কারও মতামত প্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারেন না বা কাউকে নিষেধ করতে পারেন না । সে যদি রাষ্ট্র বিরোধী কোন মত প্রকাশ করে তাকে আইন অনুযায়ী শাস্তি দিন। দেশ ছেড়ে চলে যেতে হবে কেন? 
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মন রক্ষার্থে নিজেদের বিবেক বুদ্ধি বিসর্জন দিয়ে যা তা বক্তব্য দেওয়া বন্ধ করুন। আপনাদের বক্তৃতা শুনলে যেখানে আমরা আশার আলো দেখবো। সেখানে আমাদের উপর হতাশা ভর করে। আমি তো সন্দিহান মেরুদন্ডহীন এসব নেতা বা প্রশানিক ব্যক্তিবর্গ কোথায় নিয়ে দাড় করাবে ভবিষ্যতের আওয়ামী লীগ কে। 
দেশ এখন উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই উন্নয়ন কীভাবে আরও বৃদ্ধি করা যায় কেন্দ্রীয় নেতা বা উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের এসকল বিষয়ে ভাবতে হবে। কথা বলার অনেক বিষয় আছে। যদি ভাইরাল হওয়ার জন্য বা আলোচনায় আসার জন্য উল্টা পাল্টা বক্তৃতা দেন তাহলে হিরো আলমের সাথে আপনাদের পার্থক্য কোথায়? 

Visit Our English Site- http://www.asifsdairy.xyz

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *